রাজনৈতীক সংবাদ

মনোনয়ন পাচ্ছেন না ২২ জন বর্তমান মন্ত্রী!

  • আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। ছয়টি মাঠ জরিপের ভিত্তিতে দুটি পৃথক তালিকা তৈরি করেছেন দলের সভাপতি। দুটি বিষয় মাথায় রেখে তালিকা করা হচ্ছে। একটি তালিকা করা হয়েছে, যদি বিএনপি বেগম খালেদার নেতৃত্বে নির্বাচন করে তার জন্য। অন্য তালিকা যদি বিএনপি খন্ডিতভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে সেক্ষেত্রে।
    দুটি তালিকাতেই দলের সভাপতি শেখ হাসিনার জন্য তিনটি আসনে প্রার্থীতার কথা বলা হয়েছে। তবে শেখ হাসিনা ছাড়া একটির বেশি আসনে কাউকে রাখা হয়নি। আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ সবাই একটি করে আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। আওয়ামী লীগের তৈরি করা তালিকায় তরুণদের জয়জয়কার। অন্তত ৭৫টি আসনে তরুণদের মনোনয়নের প্রস্তাব করা হয়েছে। দুটি তালিকাতেই অন্তত ২২ জন বর্তমান মন্ত্রী বাদ পড়েছেন। বিএনপি অংশগ্রহণ করলে আওয়ামী লীগ বর্তমান এমপিদের ১৩৭ জনকে আর মনোনয়ন দেবে না।
    আর বিএনপি অংশগ্রহণ না করলে বর্তমান এমপিদের ৭৫ জন আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের টিকিট পাবেন না। আওয়ামী লীগ অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে তার শরীকদের জন্য ২৫টি আসন রেখেছে। আর বিএনপি যদি শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ না নেয় বা খন্ডিতভাবে অংশ নেয় সেক্ষেত্রে একক নির্বাচনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। আওয়ামী লীগের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সূত্রগুলো এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। প্রার্থীতা চূড়ান্তের কথা স্বীকার করেছেন আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় একাধিক নেতা। তবে তাঁদের মতে, এই তালিকাও শেষ মুহূর্তে পরিবর্তিত হতে পারে।
    আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র বলছে, আওয়ামী লীগের সর্বশেষ জরিপ সমাপ্ত হয়েছে গত ১৫ ডিসেম্বর। ওই জরিপে দেখা গেছে তালিকা ‘ক’ অনুযায়ী প্রার্থিতা দেওয়া হলে, আওয়ামী লীগ ১৭৩ থেকে ১৮৫ আসনে বিজয়ী হবে। তালিকা ‘ক’ অর্থ হলো বিএনপি বেগম জিয়ার নেতৃত্বে নির্বাচনে অংশ নেয়।
    তালিকা ‘খ’ অনুযায়ী অর্থাৎ বিএনপি যদি খন্ডিতভাবে নির্বাচনে অংশ নেয় সেক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ ২১০ থেকে ২২৫ টি আসনে জয়ী হতে পারে। ওই জরিপের ভিত্তিতে দুটি প্রার্থী তালিকাতেই শেখ হাসিনাকে গোপালগঞ্জ, বাগেরহাট এবং রংপুরের একটি আসনে রাখা হয়েছে। শেখ রেহানা, সজীব ওয়াজেদ জয় কিংবা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল আগামী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন না।
Facebook Comments